মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ProdhanKhabor | Popular NewsPaper of Bangladesh
মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দাউদকান্দিতে যুবদলের মশাল মিছিল গাছের পৃথিবী ছোট হইলে মানুষের পৃথিবীও ছোট হয় যুদ্ধ শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প, কিন্তু পিছু হটছে না ইরান সিংগুলা ব্রাইট স্টার ক্লাবের নতুন কমিটিতে রুবেল সভাপতি, মহিউদ্দিন সম্পাদক দাউদকান্দিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হামলা ভাংচুর ইউপি সদস্যসহ আহত ৭ বাংলাদেশে আদিবাসী এলো কোথা থেকে? দাউদকান্দির কৃতীসন্তান নূরআলম ভূঁইয়া ইতালির মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী দাউদকান্দিতে বিদ্যুৎতের তার ছিড়ে শৈবাল প্রজেক্টের অর্ধকোটি টাকার মাছ মরে গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৫০০পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ দাউদকান্দি ও সুন্দলপুর ইউনিয়নবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম প্রধান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আঠারোটি থ্রীহুইলার আটক করেছে দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা ঊঁচু করে দাঁড়াবে: ড. খন্দকার মোশাররফ দাউদকান্দিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে জাসাসের উদ্যোগে ঈদবস্ত্র বিতরণ রাজামিয়া সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কবি-কলামিস্ট ও সংগঠক আলী আশরাফ খান'র দাফন সম্পন্ন বিএনপিই একমাত্র দল,গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে: ড. খন্দকার মোশাররফ দাউদকান্দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ও ব্যবহার বিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনার দাউদকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের উদ্যোগে আতা সরকারকে ঘিরে সাহিত্য-ইতিহাসের গভীর আলোচনা ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারে ‘তারুণ্যের শক্তি’ উপকমিটি গঠিত
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায়

"ভেঙ্গে পরার ৩৬ বছরেও নির্মান হয়নি সেতু"

"ভেঙ্গে পরার ৩৬ বছরেও নির্মান হয়নি সেতু"
শরীফ প্রধান, হালিম সৈকত:
"১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ভেঙ্গে পরে সেতুটি। তারপর কেটেগেলে ৩৬ বছর। এই দীর্ঘসময়ে আর পূর্ননির্মান হয়নি সেতুটি। যার ফলে ৩৬ বছর ধরেই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ৮ গ্রামের প্রায় ২০/৩০ হাজার মানুষকে। ভেঙ্গে যাওয়া সেতুর পিলারের উপর বাঁস বেঁধে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে তারা। আর এই সেতুটির অবস্থান কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে।

জানা যায়, উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নায়াকান্দি-বাটিবন ও সোনাকান্দা সড়কের খালের ওপর নির্মিত অনেক পুরনো ব্রিজটি '১৯৯৮৮'সালের বন্যায় ভেঙে যায়। সে সময় থেকে ভেঙ্গে যাওয়া সেতুর পিলারের সাথে বাঁশ বেঁধে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছে ওই এলাকার নয়াকান্দি, সোনাকান্দা, কাচারি, বালুয়াকান্দি, তুলাকান্দি, নারায়নপুর, আসমানিয়া, নারান্দিয়া, বন্দরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

আর এই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করছে ২-৩ হাজার পথচারী। দীর্ঘ সময়ে খালের উপর নতুন সেতু নির্মান না হওয়ায় জনদূর্ভোগ বেঁড়েছে চরমে। বেঁড়েছে জনসংখ্যা। বৃষ্টি বা বর্ষায় চলাচল করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের।

বৃষ্টি আসলে বিড়ম্বনার যেন শেষ নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের। ওই সড়কে চলাচলরত পথচারী ও অতিথিরা পরছে বিরম্বনায়। সারা দেশে এতো উন্নয়ন হলেও পুরনো এই সেতুটির নির্মান না হওয়ায় খোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীরা।

নয়াকান্দি গ্রামের আবদুল মতিন (৬০) বলেন, ৮৮'র বন্যার সময় ব্রিজটি ভেঙে যায়। এই ব্রিজটি নিয়ে আমরা অনেক কষ্ট ভোগ করতাছি। তিনি বলেন, ভোট আইলে বলে ব্রিজ কইরা দিবো। কিন্তু পাশ করার পর আর কোন খবর থাকে না।

একই গ্রামের মো.আলী মিয়া (৬২) বলেন, এটার সম্বন্ধে কী বলতাম। আমরা তো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেছি। কোন কাজ হচ্ছে না। এই সরকারের এতো উন্নয়ন হওয়া সত্বেও আমাদের এই ব্রিজটি নির্মান হচ্ছে না। বিষয়টি দু:খজনক।

সোনাকান্দা গ্রামের আবুল কাসেম মোল্লা (৭০) বলেন, খালি মাপজোপ নিতাছে আর কইতাছে ব্রিজ হইবো ব্রিজ হইবো! বইলা যায়,কিন্তু ব্রিজ তো আর হয় না। এখানে একটা ব্রিজ হলে আমদের অনেক উপকার হইতো। একটা ব্রিজ করে দিলে এলাকার মানুষ যাতায়াত করতে আর কোন অসুবিধা হতো না।

নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া খোকা বলেন, ১৯৮৮ সালের বন্যায় ব্রিজটি ভেঙ্গে পরার পরে আর সংস্কার হয়নি। প্রতিদিন ২-৩ হাজার লোক যাতায়াত করে। ব্রিজটি নিয়ে আমি মাসিক সভায় কথা বলেছি এবং প্রস্তাব পেশ করেছি।

এলজিইডি অফিস আমাকে আশ্বস্ত করেছে, বিষয়টি তারা দেখবেন। এবং খুব শীঘ্রই কিছু করার চেষ্টা করবেন।

পিকে/এসপি
দাউদকান্দিতে যুবদলের মশাল মিছিল

দাউদকান্দিতে যুবদলের মশাল মিছিল