
"মানুষ দোকানে আসবে, টাকা ছাড়াই পছন্দের পোশাক নিয়ে বাড়ি ফিরবে, এমনটা ভাবা যায়! হা এমটাই হচ্ছে। গরীব, অসহায়, ছিন্নমূল খেটেখাওয়া ও সু্বিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্য পাঞ্জাবির দোকান দিয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এক যুবক।
তুলে ধরছি, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পৌর সদরের সবজিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আরিফের অনন্য উদ্যোগের কথা। আসছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অন্যরকম দোকান খুলেছেন তিনি।
তার পাঞ্জাবির দোকানে অসহায় মানুষ আসছেন, ঈদের পোশাক পছন্দ হলে ফ্রিতে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। পৌরসদরের শহীদ রিফাত শিশু পার্কের দক্ষিণ পাশের দেওয়ালে সারিবদ্ধ ভাবে টানিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন কালারের পাঞ্জাবি। সেখান থেকে পছন্দ হলে প্যাকেট করে দিচ্ছেন দোকানি আরিফ হোসেন।
শুক্রবার বেলা ১১টার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আরিফ হোসেন পাঞ্জাবি টানিয়ে বসে আছেন। আর ঈদের নতুন পাঞ্জাবি নিতে আসছেন গরীব ও অসহায় মানুষ। পছন্দ হলে প্যাকেট করে হাতে তুলে দিচ্ছেন। ফ্রি পোষাক কিনতে আসা আজিজ মিয়া বলেন, প্রথমে বুঝতে পারি নাই যে এগুলা ফ্রি দেয়। পছন্দ হওয়ার পর দাম জিজ্ঞাসা করলে পাঞ্জাবীটা প্যাকেট করে দিয়ে বলে টাকা লাগবে না।
ঈদের নতুন পাঞ্জাবি নিয়ে আমি খুব খুশি। নতুন পোশাক নিয়ে যাওয়ার সময় আরো কয়েকজন জানান, কাজ নেই। নতুন পোশাক কেনার টাকা নেই। এখান থেকে পছন্দ করে পোশাক নিয়েছি। অনেক ভালো লাগছে।
পার্কের পাশে শতাব্দী কনফেকশনারীর সত্ত্বাধিকারি রবিউল বলেন, নতুন পোশাক ছাড়াতো ঈদের আনন্দ হয় না। মানুষ দোকানে আসবে, টাকা ছাড়াই পছন্দের পোশাক কিনে বাড়ি ফিরবে। নিজের কাছেই ভালো লাগছে। বিত্তবানদের উচিত, ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করা। এতে মনে প্রশান্তি আসবে। টাকা ছাড়াই পছন্দের পোশাক কিনতে পারছেন দরিদ্ররা
বিনামূল্যের পাঞ্জাবির দোকানের উদ্যোগক্তা আরিফ হোসেন বলেন, গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দোকান খুলেছি আমি। নতুন পোশাক ছাড়া উৎসব জমে না। আর ঈদ; সে তো নতুন পোশাক ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। তবে অনেকের নতুন পোশাক কেনার সামর্থ্য থাকে না।
এবার সামর্থ্য না থাকার সঙ্গে যোগ হয়েছে দেশের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। অনেকের ঈদের পোশাক কেনা হবে না। তাদের কথা চিন্তা করে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি ৭০টি পাঞ্জাবি আজ ফ্রি দিয়েছি। বিত্তবানরা সঠিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসলে ঈদগাহে সকলের মুখে হাসি ফুটবে।
পিকে/এসপি
তুলে ধরছি, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পৌর সদরের সবজিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আরিফের অনন্য উদ্যোগের কথা। আসছে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অন্যরকম দোকান খুলেছেন তিনি।
তার পাঞ্জাবির দোকানে অসহায় মানুষ আসছেন, ঈদের পোশাক পছন্দ হলে ফ্রিতে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। পৌরসদরের শহীদ রিফাত শিশু পার্কের দক্ষিণ পাশের দেওয়ালে সারিবদ্ধ ভাবে টানিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন কালারের পাঞ্জাবি। সেখান থেকে পছন্দ হলে প্যাকেট করে দিচ্ছেন দোকানি আরিফ হোসেন।
শুক্রবার বেলা ১১টার সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আরিফ হোসেন পাঞ্জাবি টানিয়ে বসে আছেন। আর ঈদের নতুন পাঞ্জাবি নিতে আসছেন গরীব ও অসহায় মানুষ। পছন্দ হলে প্যাকেট করে হাতে তুলে দিচ্ছেন। ফ্রি পোষাক কিনতে আসা আজিজ মিয়া বলেন, প্রথমে বুঝতে পারি নাই যে এগুলা ফ্রি দেয়। পছন্দ হওয়ার পর দাম জিজ্ঞাসা করলে পাঞ্জাবীটা প্যাকেট করে দিয়ে বলে টাকা লাগবে না।
ঈদের নতুন পাঞ্জাবি নিয়ে আমি খুব খুশি। নতুন পোশাক নিয়ে যাওয়ার সময় আরো কয়েকজন জানান, কাজ নেই। নতুন পোশাক কেনার টাকা নেই। এখান থেকে পছন্দ করে পোশাক নিয়েছি। অনেক ভালো লাগছে।
পার্কের পাশে শতাব্দী কনফেকশনারীর সত্ত্বাধিকারি রবিউল বলেন, নতুন পোশাক ছাড়াতো ঈদের আনন্দ হয় না। মানুষ দোকানে আসবে, টাকা ছাড়াই পছন্দের পোশাক কিনে বাড়ি ফিরবে। নিজের কাছেই ভালো লাগছে। বিত্তবানদের উচিত, ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করা। এতে মনে প্রশান্তি আসবে। টাকা ছাড়াই পছন্দের পোশাক কিনতে পারছেন দরিদ্ররা
বিনামূল্যের পাঞ্জাবির দোকানের উদ্যোগক্তা আরিফ হোসেন বলেন, গরিব-দুঃখী মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দোকান খুলেছি আমি। নতুন পোশাক ছাড়া উৎসব জমে না। আর ঈদ; সে তো নতুন পোশাক ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। তবে অনেকের নতুন পোশাক কেনার সামর্থ্য থাকে না।
এবার সামর্থ্য না থাকার সঙ্গে যোগ হয়েছে দেশের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। অনেকের ঈদের পোশাক কেনা হবে না। তাদের কথা চিন্তা করে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি ৭০টি পাঞ্জাবি আজ ফ্রি দিয়েছি। বিত্তবানরা সঠিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসলে ঈদগাহে সকলের মুখে হাসি ফুটবে।
পিকে/এসপি